কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নে যুবদল নেতা মো. বাবুল মিয়ার ওপর হামলার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা শহরের গাইটাল আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে তাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে এবং এটি একটি ‘সাজানো অভিযোগ’। শহিদুল ইসলাম শহীদ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
এর আগে গত ৩১ মার্চ লতিবাবাদ ইউনিয়নের কাটাবাড়িয়া এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বাবুল মিয়াকে মারধর ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় শহিদুল ইসলাম শহীদসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন আহতের বাবা হাদিস মিয়া। অভিযোগ ছিল, একটি দ্রুত বিচার আইনের মামলার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে শহীদের নির্দেশে ও উপস্থিতিতে এই হামলা চালানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, “৩১ মার্চের ওই ঘটনার সাথে আমার বিন্দুমাত্র কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ঘটনার বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। সেদিন আমি নিজ বাসায় ঘুমাচ্ছিলাম।” তিনি আরও দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং তার অর্জিত সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে একটি কুচক্রী মহল এই মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে সাবেক এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা ও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং কোনো ধরনের সহিংসতাকে তিনি সমর্থন করেন না। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করা হোক। তদন্ত ছাড়া কোনো সম্মানিত ব্যক্তিকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত নিন্দনীয়।
বর্তমানে আহত যুবদল নেতা বাবুল মিয়া শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া বলেন, আজ বৃহস্পতিবার মামলা হয়েছে। তদন্ত করছি। এ ঘটনায় জড়িতদের খুব দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
মন্তব্য করুন