ডাক ও সড়ক পরিবহন খাতে অর্থ আদায়ের বিষয়ে সরকার সম্প্রতি জোরালোভাবে স্থির করে, পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সংগৃহীত অর্থকে চাঁদা হিসেবে দেখা হবে না; তবে কাউকে বাধ্য করে নেওয়া অর্থই চাঁদাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন। তিনি জানান, পরিবহন খাতে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো নিজেদের কল্যাণ তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে সময়-সময়ে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে; এটি একটি অলিখিত প্রথার মতো। তবে এটি সত্যিই স্বেচ্ছামূলক হলে তবেই তা চাঁদা হিসেবে মনে হয় না।
মন্ত্রী বলেন, “চাঁদা বলতে আমি বুঝি এমন অর্থ যা কেউ দিতে চায় না বা দিতে বাধ্য করা হয়।” তিনি আরও বলেন, বাহ্যিকভাবে সংগঠিত অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে যদি চাপ প্রয়োগ করা হয়, সেটাই আসল চাঁদাবাজি, এবং এতে কেউ নির্যাতিত বা বঞ্চিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা হবে।
পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের সুযোগ দেবে না সরকার; তবে যেসব তহবিল সংগঠিত হয়, সেগুলোর ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিয়েও পর্যবেক্ষণ ও কর্তৃপক্ষের নজর থাকবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন